শিরোনাম

South east bank ad

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

 প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন   |   সেনা প্রধান

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সেনা সদরে এই সাক্ষাতে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম নানা আকুফো আডো।

গত রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছাবিনিময়ের পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচন নির্বাচন প্রেক্ষাপটে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত সোমবার কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের চেয়ার ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের ভাড়ায় নিয়ে যে কোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা রোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোটগ্রহণের এক দিন আগে আজ বুধবার থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে সেনাবাহিনী ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থাসহ রোহিঙ্গাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কাজও শুরু করে দিয়েছে।

গতকাল দুপুরে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তনে সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহমেদ।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কোনো ধরনের উদ্ভট বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া মেরামত, চেকপোস্ট স্থাপন, নিয়মিত টহল জোরদারসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

লে. কর্নেল তানভীর আহমেদ আশ্বাস দিয়ে বলেন, কক্সবাজারের চারটি আসনের দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। কোনো ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা বাইরে অনিয়ম কিংবা সংঘাতের সৃষ্টি হলে সেনাবাহিনী পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে সরাসরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেবে। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
BBS cable ad

সেনা প্রধান এর আরও খবর: