শিরোনাম

South east bank ad

লবণাক্ততায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উপকূলীয় অবকাঠামো: পানিসম্পদমন্ত্রী

 প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন   |   মন্ত্রী

লবণাক্ততায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উপকূলীয় অবকাঠামো: পানিসম্পদমন্ত্রী

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভবন ও অবকাঠামো দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকার বাস্তবতা বিবেচনায় বিশেষ নকশা ও আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত ‘Corrosion-Resistant Coastal Infrastructure in Bangladesh’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় এলাকার স্কুল, সরকারি স্থাপনা ও জনসেবামূলক অবকাঠামো লবণাক্ততার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়ছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির স্বল্পতা এবং বর্ষায় অতিরিক্ত প্লাবন ও জলাবদ্ধতার কারণে উপকূলে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ বাড়ছে, যা অবকাঠামো ক্ষয়ের অন্যতম কারণ।

আইইবির প্রেসিডেন্ট ও রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য পৃথক প্রকৌশল নকশা মানদণ্ড ও বিশেষ শর্তাবলি প্রণয়ন সময়ের দাবি।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং অনুমোদিত নকশা অনুসরণ না করায় অনেক অবকাঠামো অল্প সময়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে দ্রুত প্রকৌশলী নিয়োগ এবং উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইউটির অধ্যাপক ড. মো. তারেক উদ্দিন। তিনি জানান, অবকাঠামোগত ক্ষয়ের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৪ থেকে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি অবকাঠামো নির্মাণে durability period, উপকরণ নির্বাচন ও রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।






BBS cable ad

মন্ত্রী এর আরও খবর: