জ্বালানি সংকটে ব্যাহত বিদ্যুৎ উৎপাদন
বুধবার (২০ মে) ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও জ্বালানির সংকটের কারণে প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। উচ্চ উৎপাদন ব্যয়, আমদানিনির্ভরতা ও বাড়তি ভর্তুকিও বিদ্যুৎ খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজধানীর রমনায় The Institution of Engineers, Bangladesh আয়োজিত ‘Power Sector Constraints & Affordable Solutions’ শীর্ষক সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথি ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, রুফটপ সোলার, খাসজমি ও অনাবাদি জমি ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে। নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যেও কাজ চলছে।
বিশেষ অতিথি Bangladesh Energy Regulatory Commission চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন বলেন, দেশের জ্বালানি খাতের প্রধান সংকট এখন ফুয়েলের অভাব। সংকট কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও অপ্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের জিইডি সদস্য ড. মনজুর হোসেন বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। তিনি সৌর ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
মূল প্রবন্ধে বিপিডিবির পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম মহিউদ্দিন আজমী বলেন, রুফটপ সোলার, সৌরপার্ক ও কৃষিজমিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব।


