শিরোনাম

South east bank ad

দুপুরে পদোন্নতি বিকেলে বাতিল, পরদিন বরখাস্ত বিমান কর্মকর্তা

 প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন   |   সরকার

দুপুরে পদোন্নতি বিকেলে বাতিল, পরদিন বরখাস্ত বিমান কর্মকর্তা

তিনি ছিলেন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক। একদিন দুপুরে তাকে পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) করে কর্তৃপক্ষ। বিকেলে আবার সেই পদোন্নতি বাতিল করা হয়। পরদিন সকালে আবার তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়।

এমন ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে। বরখাস্ত হওয়া ওই কর্মকর্তার নাম মোহাম্মদ মিজানুর রশীদ। তার পদোন্নতি ও বরখাস্তের পুরো ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৮ মে) দুপুর থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালের মধ্যে। এ ঘটনায় তোলপাড় চলছে বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায়।

বিমানের সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত কর্মকর্তা ছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। এর মধ্যে পদোন্নতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিমানজুড়ে সমালোচনা ও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বুধবার (২০ মে) দুপুরে বিমানের উপ-ব্যবস্থাপক (পরিচালক ও ডিসিইও) সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদকে সংস্থাটির পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাকে বিমানের পরিচালক (অর্থ) পদেও অতিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই ব্যক্তিকে একসঙ্গে বিমানের তিনটি পৃথক বড় পদে দায়িত্ব দেওয়ায় ফের তোলপাড় শুরু হয়েছে বিমানে।

বিমান সূত্র জানায়, বিমানের সফটওয়্যার কেনাকাটায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আগে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন মিজানুর রশীদ। যদিও বিভাগীয় তদন্তে তিনি অব্যাহতি পান। তবে এখনো বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষ থেকে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সফটওয়্যার কেনা, অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন এবং বিভাগীয় মামলার নথিপত্র চাওয়া হয়।

এমন অভিযোগের মধ্যেই গত ৪ মার্চ মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) পদ থেকে মিজানুর রশীদকে অর্থ ও হিসাব বিভাগে বদলি করা হয়। পরদিনই আবার তাকে মাহব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আবার একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়েও উচ্চপদ হিসেবে বিবেচিত।

BBS cable ad