চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে স্ট্যান্ড রিলিজ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক পরিস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নুর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দিয়েছেন।
রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবা পাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা তার নজরে আসে। এসব বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এমন অব্যবস্থাপনার কারণ জানতে চেয়ে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
একপর্যায়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মন্ত্রীর এই নির্দেশনার পর জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কার্যক্রম ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কারণ, উপজেলা পর্যায়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসা এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা থাকলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন এবং সিভিল সার্জনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলদের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহি আরো জোরদারের বার্তা দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতের দিকে কোন নজর দেয়া হয়নি। ফলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থা বিরাজ করছে।
ওই সময়ে অতিরিক্ত দামে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পরিদর্শনকালে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক উপস্থিত ছিলেন।
রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবা পাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা তার নজরে আসে। এসব বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এমন অব্যবস্থাপনার কারণ জানতে চেয়ে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
একপর্যায়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মন্ত্রীর এই নির্দেশনার পর জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কার্যক্রম ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কারণ, উপজেলা পর্যায়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসা এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা থাকলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন এবং সিভিল সার্জনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলদের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহি আরো জোরদারের বার্তা দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতের দিকে কোন নজর দেয়া হয়নি। ফলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থা বিরাজ করছে।
ওই সময়ে অতিরিক্ত দামে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পরিদর্শনকালে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক উপস্থিত ছিলেন।


