ছাতকে চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জের ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি মোটর এবং একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন।
গ্রেপ্তাররা ব্যক্তিরা হলেন— গণেশপুর ছড়ারপাড় এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জল হক (২২), মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে জুবের মিয়া (২৩), মৃত দুদু মিয়ার ছেলে আবু বক্কর (২২) এবং ছাতক উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের মৃত আমির মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া (৪০)।
পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুলাই রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস পূর্বপাড়া গ্রামের কাটাগাং নদীর তীরে অবস্থিত বশির কোম্পানির বালুর স্টক থেকে ছয়টি মোটর চুরি হয়। এরপর শনিবার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চোরাই মোটরগুলো বিক্রির উদ্দেশে ছাতকের রেলওয়ে কলোনি এলাকার সুরমা নদীর তীরে নিয়ে আসে চোরচক্র।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতক নৌ পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে রেলওয়ে কলোনি এলাকায় রমজান আলীর ভাঙারির দোকান থেকে ছয়টি মোটর এবং একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসগ চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সুরমা ও পিয়াইন নদীর দুই তীরের বিভিন্ন ক্রাশারমিল ও বালুর স্টক থেকে মোটর, কনভেয়ার বেল্ট, ট্রান্সফরমারসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি করে আসছিল। তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ছাতক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের করা হয়েছে।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন।
গ্রেপ্তাররা ব্যক্তিরা হলেন— গণেশপুর ছড়ারপাড় এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জল হক (২২), মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে জুবের মিয়া (২৩), মৃত দুদু মিয়ার ছেলে আবু বক্কর (২২) এবং ছাতক উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের মৃত আমির মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া (৪০)।
পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুলাই রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস পূর্বপাড়া গ্রামের কাটাগাং নদীর তীরে অবস্থিত বশির কোম্পানির বালুর স্টক থেকে ছয়টি মোটর চুরি হয়। এরপর শনিবার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চোরাই মোটরগুলো বিক্রির উদ্দেশে ছাতকের রেলওয়ে কলোনি এলাকার সুরমা নদীর তীরে নিয়ে আসে চোরচক্র।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতক নৌ পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে রেলওয়ে কলোনি এলাকায় রমজান আলীর ভাঙারির দোকান থেকে ছয়টি মোটর এবং একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসগ চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সুরমা ও পিয়াইন নদীর দুই তীরের বিভিন্ন ক্রাশারমিল ও বালুর স্টক থেকে মোটর, কনভেয়ার বেল্ট, ট্রান্সফরমারসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি করে আসছিল। তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ছাতক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের করা হয়েছে।


