সৌরবিদ্যুতের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আজ শুরু ‘সোলার এক্সপো’
আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ খাতে বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরতে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন। এতে দেশি-বিদেশি শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাঁচ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং জমিতে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে চার হাজার ৫০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ জন্য শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি, শুল্ক-কর ছাড় এবং স্বল্প সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল) যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করছে। প্রদর্শনীতে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আটটি বিশেষ অধিবেশনে বিশেষজ্ঞরা বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
গত রবিবার বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎসচিব মিরানা মাহরুখ বলেন, ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন করা হচ্ছে। সরকার সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি এবং জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-৩০ গ্রহণ করেছে। নেট মিটারিং ব্যবস্থায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিজস্ব বিনিয়োগ ছাড়াই ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে ওপেক্স মডেলও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
বিদ্যুত্মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সৌরবিদ্যুতের দিকে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন। এতে দেশি-বিদেশি শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাঁচ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং জমিতে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে চার হাজার ৫০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ জন্য শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি, শুল্ক-কর ছাড় এবং স্বল্প সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল) যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করছে। প্রদর্শনীতে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আটটি বিশেষ অধিবেশনে বিশেষজ্ঞরা বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
গত রবিবার বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎসচিব মিরানা মাহরুখ বলেন, ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন করা হচ্ছে। সরকার সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি এবং জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-৩০ গ্রহণ করেছে। নেট মিটারিং ব্যবস্থায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিজস্ব বিনিয়োগ ছাড়াই ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে ওপেক্স মডেলও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
বিদ্যুত্মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সৌরবিদ্যুতের দিকে যেতে হবে।


