আইনজীবী থেকে আইনমন্ত্রী হলেন আসাদুজ্জামান
পেশাজীবনের শুরুটা ছিল আদালতের কাঠগড়ায়, যুক্তিতর্কে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই করতে করতেই নির্যাতিত মানুষের আস্থা হয়ে ওঠেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। সেই পথ ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং অবশেষে রাষ্ট্রের আইন ও বিচার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকের দায়িত্ব আইনমন্ত্রীর আসনে অধিষ্ঠান।
একজন আইনজীবীর আইনমন্ত্রী হয়ে ওঠার এই যাত্রা কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মূল্যায়নের প্রতীক।
আইন পেশায় প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ অনেক মামলায় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। সংবিধান, মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় আইনের জটিল ব্যাখ্যায় দক্ষতার জন্য সহকর্মীদের মধ্যেও আলাদা মর্যাদা তৈরি হয়।
বিএনপির রাজনীতিতে আসাদুজ্জামানের সম্পৃক্ততার শুরুটা ছিল গণমানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। আইনজীবী হিসেবে প্রান্তিক মানুষের হয়ে লড়াই করার অভিজ্ঞতা তাকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।
জনগণের প্রত্যাশা ও আইনি কাঠামোর সীমাবদ্ধতা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তাকে বুঝতে সাহায্য করে আইন সংস্কার ছাড়া ন্যায়বিচারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। ফলে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আসাদুজ্জামান।
এর আগে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।


