১৬ জুলাই ঢাকায় শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক বি-বিউটি টেক এক্সপো-২০২৬
শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশের বিউটি, কসমেটিকস, পার্সোনাল কেয়ার, ওয়েলনেস ও বিউটি টেকনোলজি খাতকে আন্তর্জাতিক উৎপাদন, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সঙ্গে সংযুক্ত করতে আগামী ১৬ থেকে ১৮ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি (আইসিসিবি)-তে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বি-বিউটি টেক এক্সপো-২০২৬।
আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়েম বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক নাসিমুর রহমান জানান, দেশের বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পকে উৎপাদনভিত্তিক শিল্প অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের এ খাতের বাজারের আকার প্রায় ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আগামী বছরগুলোতে বার্ষিক ৬ থেকে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বিউটি সেলুন, স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার, কসমেটিকস, ই-কমার্স, উৎপাদন, প্যাকেজিং ও প্রশিক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে বর্তমানে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। সঠিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি স্থানান্তর নিশ্চিত করা গেলে আগামী এক দশকে আরও ৫ থেকে ৮ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দেশের বিউটি ইন্ডাস্ট্রির বড় একটি অংশ এখনও আমদানিনির্ভর। প্রিমিয়াম কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার পণ্য, সুগন্ধি, বিউটি ডিভাইস, প্যাকেজিং উপকরণ ও আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হওয়ায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতেই এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, এটি শুধু একটি প্রদর্শনী নয়; বরং আন্তর্জাতিক বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) ব্যবসায়িক সংযোগ, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এবারের এক্সপোতে ৬০টির বেশি প্রদর্শক, ১২০টির বেশি দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ড এবং বাংলাদেশসহ চীন, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় ৮ হাজার শিল্পসংশ্লিষ্ট দর্শনার্থী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়েম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ আরিফ এবং হারমনি স্পার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রহিমা সুলতানা রিতাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


