শিরোনাম

South east bank ad

গুম-খুনের শিকারদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

 প্রকাশ: ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রী

গুম-খুনের শিকারদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ
রবিবার (২৩ আগস্ট) গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি ও সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম।

সভায় মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করা হয়েছে। একইভাবে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য যারা গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, পঙ্গুত্ব কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের ত্যাগকেও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর নির্মমতার শিকার হতে না হয়, সে জন্য স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা, মানবাধিকার সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। যারা এই আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিংবা আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

সভায় ‘Rules of Business, 1996’-এর Schedule-I (Allocation of Business) সংশোধন করে নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং Allocation of Business সংশোধনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে অন্তর্ভুক্ত করা।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
BBS cable ad

মন্ত্রী এর আরও খবর: