যুবনীতি সংশোধনে কর্মসংস্থানে জোর, শুরু হলো জাতীয় পরামর্শ কার্যক্রম
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সময়োপযোগী নীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় যুবনীতি-২০১৭ সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর বিআইএএম (BIAM) ফাউন্ডেশনে জাতীয় ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) বাংলাদেশের সহায়তায় এবং ভিএসও বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। কর্মশালার মাধ্যমে নীতি সংশোধনের জন্য আনুষ্ঠানিক পরামর্শ, তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং অংশীজনদের সম্পৃক্তকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংশোধিত যুবনীতির প্রধান লক্ষ্য হবে। তিনি বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি বাস্তবধর্মী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তরুণদের আস্থা অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে শিগগিরই একটি ‘যুব কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যেখানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও সৃজনশীল উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং বলেন, দেশের তরুণরা ইতোমধ্যে ব্যবসা, উদ্ভাবন ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই নতুন যুবনীতিতে দেশের সব অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহের হোসেন এবং যুব অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন।প্রয়োজনে এটি আরও সংক্ষিপ্ত করে অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগী সংস্করণও তৈরি করে দিতে পারি।


