শ্রমঘন শিল্পে দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার
শ্রমঘন ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের বিকাশ এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) মিলনায়তনে বিটাক আয়োজিত কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন (ফেজ-২) প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ ও নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অধিক জনসংখ্যা ও সীমিত ভূমির বাস্তবতায় কম মূলধনে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে এমন শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। লেদার, ফুটওয়্যার এবং নন-লেদার বা সিন্থেটিক লেদারভিত্তিক শিল্পে বড় পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের সম্প্রসারণের সঙ্গে দক্ষ জনবলের চাহিদাও বাড়বে। এ ক্ষেত্রে সরকারি অর্থায়নে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিটাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগামী দিনে বিটাকের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কারিকুলামে এআই, রোবটিক্সসহ আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে শিল্পমন্ত্রী বলেন, তিন মাসের প্রশিক্ষণ কর্মজীবনের সূচনা মাত্র। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব প্রশিক্ষণার্থীদের নিজেদের।
শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, প্রযুক্তি ও শিল্পের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারিগরি দক্ষতা উচ্চশিক্ষার চেয়ে কোনোভাবেই কম মর্যাদার নয়।
বিটাকের মহাপরিচালক মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিআইএমের মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
পরে মন্ত্রী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র ও নিয়োগপত্র বিতরণ করেন। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ নেওয়া ৭২২ জনের মধ্যে ৬৪২ জনকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।


