কপ৩১-এর আগে জলবায়ু অর্থায়ন ও ন্যায়বিচারের দাবি
জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন, বৈশ্বিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আগামী কপ৩১ সম্মেলনে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি) এবং ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যালায়েন্স-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে এসব দাবি জানানো হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় দুই কোটি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তাও প্রয়োজন।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরে নাগরিক সমাজকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে বাস্তব কর্মপরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
সেমিনারে বক্তারা জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থায়ন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সহজপ্রাপ্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তাঁরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে কম দায়ী দেশ ও জনগোষ্ঠীই এর ক্ষতি সবচেয়ে বেশি ভোগ করছে। তাই কপ৩১-এ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অধিকার ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।


