আইইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠিত, নির্বাচিত প্রকৌশলী এমপিদের সংবর্ধনা
শনিবার (২৩ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) কর্তৃক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত প্রকৌশলীবৃন্দ ও স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রাপ্ত প্রকৌশলীকে সংবর্ধনা এবং আইইবি’র ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (ইঞ্জিনিয়ার্স ডে)-এর সমাপনী অনুষ্ঠান শনিবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি। তিনি বলেন, আইইবি দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যা শুধু প্রকৌশলীদের পেশাগত মানোন্নয়নেই নয়, জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি বলেন, দেশের সংকটময় সময়ে প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম (তুলি) “মায়ের ডাক” সংগঠনের মাধ্যমে নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রামে তার অবদান প্রশংসনীয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সততা, জবাবদিহিতা ও দূরদর্শী পরিকল্পনা জড়িত।
অতীতে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, অপচয় ও দুর্নীতির অভিযোগ দেশের অগ্রগতিকে ব্যাহত করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রকৌশলীদের মেধা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে আইইবি’র সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সেমিনার ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, যাতে নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে তা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল), এমপি; প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম খান, এমপি; সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম (তুলি), এমপি; প্রকৌশলী মাহবুবা হাকিম ক্যামেলিয়া, এমপি; প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, এমপি এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রাপ্ত ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল বাকী। অনুষ্ঠানে তাঁদের সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবি’র প্রেসিডেন্ট ও রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। তিনি বলেন, আইইবি দল-মত নির্বিশেষে সকল প্রকৌশলীকে একত্রিত করে দেশের উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও জাতি গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া।


