শিরোনাম

South east bank ad

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

 প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
সবার জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) সম্মেলনকক্ষে ফোর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে খাদ্য পুষ্টিকরণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা ও সর্বজনীন মানবাধিকার। সংবিধান অনুযায়ী, নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, নারী ও শিশুসহ পুষ্টিঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। খাদ্যে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সংযোজনের মাধ্যমে পুষ্টিমান বাড়ানোর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কার্যকর সমন্বয় ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলোকে ফলপ্রসূ করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের পরিধি বাড়াতে হবে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পুষ্টিকরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, কার্যক্রমের সমন্বয় ও বাস্তবায়ন সহজ করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা হলে কাজের সুবিধা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভাই থাপা। ডা. রুদাবা খন্দকারের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. তাহমিদ আহমেদ।

প্যানেল আলোচনায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। আলোচনায় খাদ্য পুষ্টিকরণ কার্যক্রম কার্যকর ও টেকসই করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা এবং নীতিনির্ধারণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যায় পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীজন ও পুষ্টিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

BBS cable ad