শিরোনাম

South east bank ad

নিরাপদ সড়কে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সেতুমন্ত্রী

 প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রী

নিরাপদ সড়কে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: সেতুমন্ত্রী
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা পক্ষের দায়িত্ব নয়। সরকার, পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, যাত্রী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের নির্ভুল পরিসংখ্যানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব। দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি যানবাহনের ফিটনেস বজায় রাখতে হবে। যোগ্য চালক নিয়োগে পরিবহন মালিকদেরও সক্রিয় হতে হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, দক্ষ চালকের সংকটের অজুহাতে অনিরাপদ যানবাহন বা অদক্ষ চালক দিয়ে পরিবহন পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয়। পরিবহন মালিকেরা যোগ্য চালকদের সুপারিশ করলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না।

সড়ক নিরাপত্তায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, হেলমেট ব্যবহারের নীতিমালা বাস্তবায়ন, দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও ঝুঁকি কমাতে কাজ চলছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং মহাসড়কের সঙ্গে আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থলে দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বেপরোয়া চালনা ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, অনিরাপদ যানবাহন পরিহার এবং সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রকিবুল ইসলাম ও মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ ছাড়া বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

BBS cable ad

মন্ত্রী এর আরও খবর: