শিরোনাম

South east bank ad

আমরা এখন পর্যন্ত কোনো থ্রেট অনুভব করিনি: র‍্যাব ডিজি

 প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন   |   র‍্যাব প্রধান

আমরা এখন পর্যন্ত কোনো থ্রেট অনুভব করিনি: র‍্যাব ডিজি


পবিত্র ঈদুল আজহা কেন্দ্র করে সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট থ্রেট (হুমকি) নেই বলে জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ।

তবে কোনো হুমকি না থাকলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।


মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে র‍্যাব ডিজি এসব কথা বলেন।

মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে র‍্যাব ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।


আমরা এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের থ্রেট অনুভব করিনি। তবে থ্রেট না থাকলেও আমাদের নিজস্ব যে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, সেটি জোরদার রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের প্রধান প্রধান জামাতগুলোতে নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

দেশব্যাপী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চেকপোস্টের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে র‍্যাব ডিজি বলেন, ঈদে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঝুঁকি থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তা চৌকির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একইসঙ্গে সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রিকালীন টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

কোরবানির পশুর হাট ও জাল টাকা রোধে র‍্যাবের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি রোধে র‍্যাবের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জাল টাকা প্রতিরোধ ও শনাক্তকরণে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে ও জাল টাকা প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান চলমান আছে। কোরবানির পশুবাহী যানবাহন যেন কেউ জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কোনো হাটে নিয়ে যেতে বাধ্য করতে না পারে, সে বিষয়েও বিশেষ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো ধরনের গুজব ছড়ানো প্রতিরোধে র‍্যাবের সাইবার উইং সক্রিয় রয়েছে জানিয়ে র‍্যাব প্রধান বলেন, ঈদ ও কোরবানিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ যেন কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিতে না পারে, সে লক্ষ্যে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং সার্বক্ষণিকভাবে চালু রয়েছে। কেউ এ ধরনের অপচেষ্টা চালালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে র‍্যাবের ক্যাম্পে কেএনএফের হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে র‍্যাব ও পুলিশের বিশেষ ক্যাম্প কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং তারা দায়িত্বশীলতার সঙ্গেই কাজ করছে। র‍্যাবের ক্যাম্পে মূলত কোনো হামলা হয়নি। আমরা নতুন একটি ক্যাম্প করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম, সেখানে তারা অতর্কিত হামলা করেছে। এর পেছনে আমাদেরও কিছু অসাবধানতা বা দুর্বলতা ছিল। তবে ইয়াসিন বাহিনী বা অন্য কেউ র‍্যাবের চেয়ে শক্তিশালী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আর সেখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

র‍্যাব ডিজি বলেন, দেশের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য র‍্যাব সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
BBS cable ad

র‍্যাব প্রধান এর আরও খবর: