নগর স্বাস্থ্যসেবায় ‘আলো ক্লিনিক’ মডেল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা
নগর এলাকার শিশু, নারী ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে ‘আলো ক্লিনিক’ মডেল সম্প্রসারণের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সহজপ্রাপ্য, জবাবদিহিমূলক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। নগরের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে ‘আলো ক্লিনিক’ যেভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে, তা অনুসরণযোগ্য উল্লেখ করে তিনি আগামী সপ্তাহে একটি আলো ক্লিনিক পরিদর্শনের ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশন থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসা ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ মডেলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি উপজেলা, জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু এবং দুর্গম এলাকায় রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, ২০২১ সাল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত ছয়টি আলো ক্লিনিকে মাতৃ, নবজাতক ও শিশুসেবাসহ সমন্বিত ডিজিটাল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ১৬৮ জন রোগী এসব সেবা গ্রহণ করেন। চারটি ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টা নরমাল ডেলিভারি সেবা চালু রয়েছে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে এক হাজারের বেশি নিরাপদ প্রসব সম্পন্ন হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, আলো ক্লিনিকের ইতিবাচক ফলাফলের ভিত্তিতে মডেলটি সম্প্রসারণের জন্য একটি ধারণাপত্র (কনসেপ্ট নোট) প্রস্তুত করতে ইউনিসেফকে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।


