মুন্সীগঞ্জে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন
আজ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার) থেকে “দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬” উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলমান থাকবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আজ জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশব্যাপী এ অভিযানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়। এর অংশ হিসেবে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোঃ কামরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার জনাব মেনহাজুল আলম, পিপিএম, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মিজ্ মৌসুমী মাহবুব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব মোঃ মাহমুদুর রহমান খোন্দকার, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব গোলাম মোস্তফা, জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক, বিএনসিসি, রেডক্রস, গার্লস গাইড, স্কাউট, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ।
‘নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’ এবং ‘নিয়মিত প্রতিদিন জমা পানি ফেলে দিন’—এ দুই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে এ বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামসম্বলিত স্মৃতিফলক প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি পরবর্তীতে মুন্সীগঞ্জ বাজারসহ শহরের বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসাবাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।


